শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০৪:৪০ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়ার ঝাউদিয়া শাহী মসজিদ অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন তুরস্ক থেকে সামরিক ড্রোন কিনছে বাংলাদেশ কুষ্টিয়ায় প্রতারণার ফাঁদে পড়ে সর্বশান্ত একটি পরিবার বিচারের আশায় দিনগুনে কুমারখালীরতে অবৈধ দখলে বাধা দেওয়ায় খড়ের গাদায় আগুন লাগানোর অভিযোগ কুষ্টিয়ায় ছিনতাই চক্রের প্রধান কে এই নয়ন জোয়ার্দার কুষ্টিয়ায় প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে কলেজ দুই ছাত্রীর মোবাইল ছিনতাই কুমারখালীতে পৃথক স্থানে অগ্নিকান্ডে ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি, আহত ২ ২৬শে মার্চের মধ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবি মিয়ানমারে আরও ৯ বিক্ষোভকারীকে গুলি করে হত্যা
খাদ্যশস্যের লাইসেন্স ছাড়াই কুষ্টিয়ার অধিকাংশ আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন অবাধে

খাদ্যশস্যের লাইসেন্স ছাড়াই কুষ্টিয়ার অধিকাংশ আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন অবাধে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি: খাদ্যশস্যের লাইসেন্স ছাড়াই কুষ্টিয়ার অধিকাংশ আমদানিকারক, পাইকারি আড়তদার, মিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন অবাধে। এই বিষয়ক সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও ফুড গ্রেইন বা খাদ্যশস্য লাইসেন্স নেওয়ার ব্যাপারে ব্যবসায়ীদের আগ্রহও নেই। অন্যদিকে আইন না মানার শাস্তি বা জরিমানার পরিমাণও নগণ্য বলে সুযোগের সদ্ব্যবহার করেন ব্যবসায়ীরা।

বাজারে ধান-চালের অবৈধ মজুদ ঠেকাতে ব্যবসায়ীদের ফুড গ্রেইন লাইসেন্স নেওয়ার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করে ২০১১ সালের ৪ মে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এছাড়া ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত লাইসেন্স নেওয়ার শেষ সময়সীমা বেঁধে দিলেও অধিকাংশ ব্যবসায়ী লাইসেন্স নেননি। জেলার ধান,চাল,গম,আটা,ভোজ্যতৈল ও চিনি পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের ফুডগ্রেইন লাইসেন্স গ্রহন করতে বাধ্যতামূলক করেছে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তর ।
তবে খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, ফুড গ্রেইন লাইসেন্স গ্রহণ করার জন্য একাধিকবার আমদানিকারক, আড়তদার, মিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীদের চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। কিছু ব্যবসায়ী এই লাইসেন্সটি নিলেও অধিকাংশ লাইসেন্সের আওতায় আসেনি। এক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সদিচ্ছা থাকতে হবে।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এস.এম তাহসিনুল হক বলেন, জেলা ও উপজেলার সকল পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের ফুডগ্রেইন লাইসেন্স গ্রহন করতে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তর প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। সঠিক সময়ের মধ্যে লাইসেন্স গ্রহন ও নবায়ন করতে সকল ব্যবসায়ীর প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
তিনি বলেন, সবাইকে লাইসেন্সের আওতায় আনা সম্ভব হলে দেশে ব্যবসায়ীদের কাছে কী পরিমাণ ধান-চাল মজুদ রয়েছে সেটি জানা যাবে। বর্তমানে ১৫ দিন পরপর মজুদের হিসাব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যা বাড়তি ঝামেলা হিসেবে দেখেন অধিকাংশ ব্যবসায়ী।

তাছাড়া আমাদের সুনির্দিষ্ট কোনো আইন নেই তাই জরিমানা বা তেমন শাস্তিও দেয়া যায় না। আড়তদার এবং মিল মালিকদের কাছে লাইসেন্স থাকলেও পাইকারি আর খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে পাওয়া যায় না। তারা অনীহা দেখিয়ে পার পেয়ে যায়। কেউ কেউ ব্যবসায় পরিবর্তন করে অন্য ব্যবসায়ে নেমে পড়েন। তখন আর কিছুই হয়না।
অভিযান এবং জরিমানার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফুডগ্রেইন লাইসেন্সের আওতায় যে সকল ব্যবসায়ী আছে সঠিক সময়ের মধ্যে এই লাইসেন্স গ্রহন ও নবায়ন না করলে আমরা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করব।

 

এই সংবাদটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © swadeshbarta24.com
Design & Developed BY Anamul Haque Rasel