শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে এজাহারভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী আলিম গ্রেফতার কুষ্টিয়ার মিরপুরে মেছোবাঘ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ১১ হাজার অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণে মাহাবুব আলম হানিফ কুষ্টিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে চোলাইমদ সহ ০১ জন গ্রেফতার করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড.আহসান উল্লাহ ফয়সাল মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী নিহত আহত-৬ কুষ্টিয়ায় কর্মহীন মটর শ্রমিকদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী তুলে দিলেন জেলা প্রশাসক কুষ্টিয়ায় ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বিয়ের দাবিতে কলেজ ছাত্রীর অনশন কবর থেকে উঠতে পারে কুমারখালীর গৃহবধূর লাশ, থানায় হত্যা মামলা দায়ের
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আওয়ামীলীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৩

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আওয়ামীলীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ৩

কুষ্টিয়া, ২৮ এপ্রিল ২০২১।। কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে আওয়ামীলীগের দু-গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশের এএসআই সহ তিনজন আহত হয়েছেন। বুধবার ভোরে বাগুলাট ইউনিয়নের শালঘর মধুয়া এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

আহতদের মধ্যে শালঘর মধুয়া গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে রাশেদুল ইসলাম, মৃত চাঁদ আলীর ছেলে ফারুখ হোসেন ও এএসআই ফরিদ রয়েছেন।

এলাকাবাসী জানান, বাগুলাট ইউনিয়নে নবা বিশ্বাস গ্রুপ ও আলী গ্রুপের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলছে। গত ১৪/১৫ দিন যাবত ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া সহ বাড়ি ভাংচুর চলছে। বুধবার ভোরে আলী গ্রুপের উজ্জ্বলের বাড়িতে হামলা করে ভাংচুর করে নবা গ্রুপের লোকজন। পরবর্তীতে আলী গ্রুপ সংঘবদ্ধ হয়ে হামলা করে প্রায় ৩০/৪০ টি বাড়ি ভাংচুর করে। দুপক্ষের কয়েকশত লোক এ সময় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। রাশেদুল হাতে গুলিবিদ্ধ হয় এবং ফারুখের ঠোঁটে বল্লমের আঘাত লাগে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। পরবর্তীতে কুমারখালী থানা পুলিশসহ কুষ্টিয়া থেকে অতিরিক্ত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় বাঁশগ্রাম ক্যাম্পের এএসআই ফরিদ মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছেন। আহতরা কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) রাকিব হাসান জানান, সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাংচুর হয়েছে। পুলিশের একজন এএসআই আহত হয়েছেন। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এবং ঘটনাস্থল থেকে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে দু-গ্রুপের সংঘর্ষের সময় দায়িত্ব পালনকালে এটিএন বাংলার ক্যামেরা পার্সনকে আটক করে থানায় নিয়ে এসে চোখ বেঁধে নির্যাতন করেছে বলে জানা গেছে। বুধবার ভোরে বাগুলাট ইউনিয়নের শালঘর মধুয়া সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে তাকে আটক করা হয়। নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এটিএন বাংলার ক্যামেরা পার্সন নাজমুস হাসিব।

নাজমুস হাসিব জানান, দায়িত্ব পালনকালে তাকে শালঘর মধুয়া থেকে ডিবিপুলিশ আটক করে কুমারখালী থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে। কুমারখালী থানা পুলিশ তাকে গাড়িতে উঠিয়েই নির্যাতন শুরু করে। পরবর্তীতে থানায় নিয়ে আসার পর একটি রুমে দরজা আটকিয়ে চোখ বেঁধে তাকে হকিস্টিক ও হাতুরী দিয়ে নির্যাতন করে। বর্তমানে তিনি কুমারখালী থানার হাজতে অসুস্থ অবস্থায় রয়েছেন।
বর্তমানে কুমারখালী থানায় সর্বস্তরের সাংবাদিক অবস্থান করছেন। এর সঠিক ব্যবস্থা নেয়া না পর্যন্ত সাংবাদিকরা থানা চত্বরে অবস্থান করবেন বলে জানান।

এই সংবাদটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © swadeshbarta24.com
Design & Developed BY Anamul Haque Rasel