বুধবার, ২৮ Jul ২০২১, ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন

ঘোষনা :
*** দেশের জনপ্রিয় বাংলা অনলাইন পত্রিকা স্বদেশ বার্তা ২৪ ডটকমে আপনাকে স্বাগতম।সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ জানতে স্বদেশ বার্তা ২৪ ডটকমের সাথে থাকুন।*** স্বদেশ বার্তা ২৪ ডটকমের জন্য সারাদেশে জেলা ,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীগণও আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রেরণের প্রক্রিয়াঃ ই-মেইল: news.swadeshbarta24@gmail.com প্রয়োজনে মোবাইলঃ ০১৭৮২৬৬৪০৬৬
সংবাদ শিরোনাম :
যশোরে শার্শায় ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক-১ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একই গ্রামে করোনায় ১৩ জনের মৃত্যু প্রশাসনের কর্মকর্তারা অনিয়ম করলে কঠোর শাস্তি : প্রধানমন্ত্রী অবৈধ দখলের গড়াই নদীর চর, বেড়ে চলছে মাদক ব্যবসা কুষ্টিয়ায় লকডাউনে দুই দোকানে চুরি, চোরের আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা কুমারখালীতে লকডাউনে প্রশাসন কঠোর, সেনাবাহিনীর টহল জোরদার কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সভা অনুষ্ঠিত গাংনীতে মোটরসাইকেলের চাপায় গৃহবধূ নিহত চালক আটক জয়পুরহাটে মদ সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক কুমারখালীতে ইউপি সদস্যের ফলজ বাগান কাটলো দুর্বৃত্তরা বাংলাদেশের প্রথম কুষ্টিয়ার জগতি রেলস্টেশনটি ভূমিখেকোদের দখলে কুমারখালীতে পাতিলে রাখা বৃষ্টির পানিতে শিশুর মৃত্যু কুমারখালীতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় জরিমানা প্রতিবন্ধী শিশুকে হুইলচেয়ার উপহার দিলেন শার্শার নির্বাহী অফিসার(UNO) কুষ্টিয়ায় কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে অপরিসীম দায়িত্ব পালন করছে প্রশাসন

কুষ্টিয়ার মিরপুরে মেছোবাঘ উদ্ধার

কুষ্টিয়ার মিরপুরে মেছোবাঘ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রানীটির জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল হয়েছে তার ওই বাঘ নামকরন। মাঝারি আকারের বিড়ালগোত্রীয় স্তন্যপায়ী বন্যপ্রাণী হলেও বাঘ নামের কারনে সে যেন মানুষের জন্মগত শত্রু।
বাংলাদেশে আট প্রজাতির বিড়াল বা বাঘ দেখা যায়। এগুলোর মধ্যে মেছো বাঘ বা মেছো বিড়াল খুবই নিরীহ একটি প্রাণী।
ঘরের মুরগী খায় বনবিড়াল আর দোষ হয় এই মেছো বিড়ালের। সে নাকি ছাগলও টেনে নিয়ে যায়, এই কাজটা অবশ্য শেয়ালের। তাহলে সে খায়টা কি? নাম থেকেই স্পষ্ট বোঝা উচিৎ সে মেছো বিড়াল, মাছ খায়। তাই মুরগী বা ছাগল খাওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না। এবার বলতে পারেন আমার পুকুরের মাছে সব খেয়ে নিচ্ছে। আচ্ছা, একটা মেছো বিড়াল কয়টা মাছ খেতে পারে? নদী বা বিলের মাছের পোনা নিধন করতে করতে এখন অনেক প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত প্রায়। সেটা নিশ্চয় এই বাঘ বা বিড়াল খেয়ে শেষ করে নাই। সেসব মাছে বংশ শেষ করে দিয়েছি আমরা মানুষই।
এখন প্রশ্ন হলো সে মানুষকে আক্রমন করেছে। আচ্ছা, যখন আমি তাকে মারতে যাবো, সে নিশ্চয় বসে থাকবে না? প্রকৃতি ও পরিবেশ নষ্টের পাশাপাশি তাদের আবাসস্থল গুলো আমরা মানুষরাই নষ্ট করছি। তাহলে তারা থাকবে কোথায়, নাকি এই পৃথিবীটা শুধু মানুষ নামক দুপায়ে প্রানীদের জন্য? অন্য কোন প্রানীর কোন আশ্রয় এখানে হবে না।
কেন রে ভাই দেখলেই তাকে মারতে হবে, ধরতে হবে, আবার উদ্ধার করতে হবে। তার জায়গায় তাকে থাকতে দিন না। রাস্তায় কুকুর দেখলে কি তেড়ে মারতে যান? তবে কেন অন্য প্রানী দেখলেই মেরে উদ্ধার করতে হবে?
গবেষনায় দেখা গেছে, কোনো জলাভূমির আশপাশে মেছো বিড়াল থাকলে সেখানকার মাছের পরিমাণ বরং বাড়ে। এমনকি জলাভূমির পাশে কৃষিজমির ফসল উৎপাদনেও এর ভালো প্রভাব পড়ে। মেছো বাঘ বেশির ভাগ সময়ই খায় মরা বা রোগাক্রান্ত মাছ। ফলে মেছো বাঘ জলাশয়ে মাছের রোগনিয়ন্ত্রণে ভালো ভূমিকা রাখে।
আপনার এলাকায় যদি এই প্রানীটি থাকে,তবে সেটার জন্য আপনাদের গর্ব হওয়া উচিৎ। তাদের বরং আবাসের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা উচিৎ। তা নয়, উল্টো কবরস্থানের মত জায়গা থেকে হলেও ওদের খুজে, আঘাত করে তাদের আহত করবেন, হয় মেরে ফেলবেন নয়তো মেরে দিবেন। মারতে মারতে একদিন যখন বিলুপ্ত হয়ে যাবে তখন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম শুধু গল্পই শুনবে এদেশে এমন একটি বিড়াল ছিল যার নাম মোছবাঘ হওয়ায় পৃথিবীতে আর তার জায়গা হয়নি।
সারা পৃথিবীতে ১০ হাজারের মতো মেছো বাঘ টিকে আছে। ধীরে ধীরে এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে, বিশেষ করে পাকিস্তান থেকে তারা হারিয়ে গেছে। বাংলাদেশে বিভিন্ন গ্রামেও এ বাঘ আর আগের মত দেখা যায় না। মূল কারণ আবাস হারিয়ে যাওয়া।
সারা বিশ্বেই মেছো বাঘ এখন একটি সংকটাপন্ন প্রাণী। ২০০৮ সালে এটি সংকটাপন্ন থেকে বিপন্ন প্রাণীর তালিকায় স্থান পেয়েছিল। প্রাণীটি বাংলাদেশেও বিপন্ন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ার ৪৫ শতাংশ অভয়ারণ্য এবং বিশ্বের ৯৪ শতাংশ জলাশয় ধীরে ধীরে মানুষের দখলে চলে যাওয়ায় বন্য প্রাণীর আবাসস্থল মুছে গেছে।

এই সংবাদটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Design & Developed BY Anamul Haque Rasel