বুধবার, ০৩ মার্চ ২০২১, ০৩:২১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
এই দেশ কারও বাবার সম্পত্তি নয় : ইশরাক অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ালো সামাজিক স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন ইয়থ ডেভলপমেন্ট ফোরাম কুষ্টিয়ায় কতৃপক্ষ ঘুমিয়ে, জিকে ক্যানালের জায়গা অবৈধভাবে দখল করে নির্মান হচ্ছে দোকান ‘স্বচ্ছ ও ভালো নিয়ত’ নিয়ে এসেছেন কুষ্টিয়ার নতুন এসপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ে পুলিশের বাধা, গোটা দেশ অবরোধের হুমকি কুমারখালীর বাঁশগ্রাম কামিল মাদরাসায় কামিল ও ফাযিল পরীক্ষায় অভাবনীয় সফলতা অর্জন কুষ্টিয়ায় দিনে দুপুরে পরের জমির গাছ কেটে নিলো প্রভাবশালীরা ‘আবিষ্কারের নেশায় তিনবার সরকারি চাকরি ছেড়েছি’ কুষ্টিয়ায় হাইওয়ে থানা পুলিশের সফল অভিযান: বিদেশী পিস্তল, গুলি সহ আটক -১ বাঁশ হাতে পুলিশের দিকে তেড়ে যাওয়ার ছবি ভাইরাল
ভীতিকর অবস্থা ইবি থানা পুলিশের ব্যারাকে

ভীতিকর অবস্থা ইবি থানা পুলিশের ব্যারাকে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা পুলিশের মানবেতর জীবনযাপন সহ ভীতিকর পরিস্থিতি তাদের ব্যারাকের। ১৪/০৮/২০০০ ইং তারিখ থেকে শুরু করে গত ২০ বছরে ২৯ টি অফিসার ইনচার্জ দায়িত্ব পালন করেছেন এই থানায়। যেখানে দেখা গেছে এক মাস পরপর বা বছরে তিনটি অফিসার ইনচার্জও বদলি হয়েছেন এই থানা থেকে। এই করোনা কালীন সময়েও ছোট ছোট এক একটি কক্ষে ৭ থেকে ১১ জনকে গাদাগাদি করে থাকতে হয় ইবি থানা পুলিশের সদস্যদের। তার উপর আবার সাপের ভয় যেন রাতদিন অক্লান্ত পরিশ্রমের পর ছোট একটু সময়ের ঘুম টাকেও হারাম করে দিয়েছে। এই বুঝি টিনের নিচে দেয়া চাটয়ের উপর থেকে সাপ পড়লো গায়ের উপর। চাটয় গুলোউ কখন যেন খুলে পরবে গায়ের উপর শুধু ফ্যানের জন্যই বেঁধে আছে। গরমের সময় একটু প্রশান্তির কাজে না আসলেও চাটয় থেকানোর কাজে বেশ কাজে দিয়েছে ফ্যান গুলো। ব্যারাকের টিনগুলো যেন খসে খসে পড়ছে, যায়গায় যায়গায় এতো বড়ো ফকোর যে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করতে হলে ব্যারাকের কক্ষে বসেই তা করতে পারেন ইবি থানা পুলিশের সদস্যরা। শৌচাগার আর গোসল করার জায়গারো একি অবস্থা। থানার ৫৭ জন স্টাফ এর জন্য শৌচাগার মাত্র ৩টি আর গোসল করার জায়গা ১টি। সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রথম সিরিয়াল দিতে হবে শৌচাগারে আর সেটা শেষ হলেই লম্বা সিরিয়াল পড়ে গোসল করার জায়গায়। দিনরাত পরিশ্রম করে থানার লক্ষ লক্ষ মানুষকে শান্তি শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে ইবি থানা পুলিশ আজ তারাই মানবেতর জীবনযাপন করছে।
ইবি থানায় প্রশাসনিক কার্যক্রম চললেও বা নামে ইবি থানা থাকলেও ইবি থানাধীন জনগণের জাতীয় পরিচয় পত্রে উল্লেখ রয়েছে সদর থানা অর্থাৎ সরকারিভাবে ইবি থানার কোনো অনুমোদন আছে বলে প্রশ্ন ওঠে জনমনে। অথচ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন স্বঃ মঃ ১০ ফাড়ি-১৬/৯৭ (পুঃ-৩) অংশ ১/২৯৭ তারিখ ৩১-০৫-২০২০ ইং মোতাবেক ১৪-০৮-২০২০ ইং তারিখ থেকে এই থানার কার্যক্রম শুরু হয়। এবং জনাব মোঃ বাদশা মিয়া প্রথম অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বর্তমানে দেশের প্রতিটি থানায় মডেল থানা হিসেবে গঠিত করার কার্যক্রম চললেও বা তার অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও ইবি থানা বরাবরই বাদ পড়েছে সকল অবকাঠামোগত উন্নয়ন সহ সকল সুযোগ-সুবিধা থেকে। তাই বদলি হয়ে আসা বা এখানে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরাও এই থানায় অবস্থানে অনীহা প্রকাশ করতে দেখা যায়।

এই সংবাদটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © swadeshbarta24.com
Design & Developed BY Anamul Haque Rasel