বুধবার, ২৮ Jul ২০২১, ১১:০০ পূর্বাহ্ন

ঘোষনা :
*** দেশের জনপ্রিয় বাংলা অনলাইন পত্রিকা স্বদেশ বার্তা ২৪ ডটকমে আপনাকে স্বাগতম।সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ জানতে স্বদেশ বার্তা ২৪ ডটকমের সাথে থাকুন।*** স্বদেশ বার্তা ২৪ ডটকমের জন্য সারাদেশে জেলা ,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীগণও আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রেরণের প্রক্রিয়াঃ ই-মেইল: news.swadeshbarta24@gmail.com প্রয়োজনে মোবাইলঃ ০১৭৮২৬৬৪০৬৬
সংবাদ শিরোনাম :
যশোরে শার্শায় ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ আটক-১ কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে একই গ্রামে করোনায় ১৩ জনের মৃত্যু প্রশাসনের কর্মকর্তারা অনিয়ম করলে কঠোর শাস্তি : প্রধানমন্ত্রী অবৈধ দখলের গড়াই নদীর চর, বেড়ে চলছে মাদক ব্যবসা কুষ্টিয়ায় লকডাউনে দুই দোকানে চুরি, চোরের আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা কুমারখালীতে লকডাউনে প্রশাসন কঠোর, সেনাবাহিনীর টহল জোরদার কুষ্টিয়ায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সভা অনুষ্ঠিত গাংনীতে মোটরসাইকেলের চাপায় গৃহবধূ নিহত চালক আটক জয়পুরহাটে মদ সহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক কুমারখালীতে ইউপি সদস্যের ফলজ বাগান কাটলো দুর্বৃত্তরা বাংলাদেশের প্রথম কুষ্টিয়ার জগতি রেলস্টেশনটি ভূমিখেকোদের দখলে কুমারখালীতে পাতিলে রাখা বৃষ্টির পানিতে শিশুর মৃত্যু কুমারখালীতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় জরিমানা প্রতিবন্ধী শিশুকে হুইলচেয়ার উপহার দিলেন শার্শার নির্বাহী অফিসার(UNO) কুষ্টিয়ায় কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে অপরিসীম দায়িত্ব পালন করছে প্রশাসন

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য

ডেস্ক নিউজ: বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক রাজধানী কুষ্টিয়া! এ জেলার মানুষের ভাষা বাংলাদেশের সবচেয়ে শুদ্ধ ভাষা।

কুষ্টিয়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য:
কুষ্টিয়া জেলার নামকরণ নিয়ে নানা কাহিনী প্রচলিত আছে, কুষ্টিয়ায় এক সময় কোস্টার(পাট) চাষ হতো বলে কোস্ট শব্দ থেকে কুষ্টিয়ার উৎপত্তি। হেমিলটনের গেজেটিয়ারে উল্লেখ্য করেন যে, স্থানীয় জনগণ একে কুষ্টি বলে ডাকত। কুষ্টি থেকে কুষ্টিয়া নামকরণ হয়েছে। ১৯৮৪ সালে ৬ টি থানা নিয়ে কুষ্টিয়া জেলা গঠিত হয়।দেশের সবচেয়ে কম দরিদ্র মানুষের বাস এই কুষ্টিয়া।কুষ্টিয়ার আগে এই জেলার নাম ছিল – নদীয়া জেলা।

পূর্বে কুষ্টিয়া নদীয়া জেলার (বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে) অন্তর্ভুক্ত ছিল। এছাড়াও পাবনা জেলার মহকুমা /থানা হিসেবেও রাজশাহী বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ছিল এ জেলাটি। কোম্পানি আমলে কুষ্টিয়া যশোর জেলার অধীনে ছিল।১৮৬৯ সালে কুষ্টিয়ায় একটি পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। হ্যামিলটন’স গেজেট প্রথম কুষ্টিয়া শহরের কথা উল্লেখ করে।

কুষ্টিয়া বিখ্যাত খাবার:
– তিলের খাজা
– কুলফি আইসক্রিম
– প্যারা সন্দেশ

ভৌগোলিক সীমানা :
কুষ্টিয়া জেলার আয়তন ১,৬২১.১৫ বর্গকিলোমিটার । এর উত্তরে রাজশাহী, নাটোরও পাবনা, দক্ষিণে চুয়াডাঙ্গা ও ঝিনাইদহ জেলা, পূর্বে রাজবাড়ী এবং পশ্চিমে মেহেরপুর জেলা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলা অবস্থিত ।
কুষ্টিয়ার ভিতর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রধান নদীগুলো হল পদ্মা, গড়াই নদী, মাথাভাঙ্গা, কালীগঙ্গা ও কুমার নদী। জেলাটির গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭.৮°সে এবং গড় সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ১১.২°সে । এখানকার বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১,৪৬৭ মি.মি.।

জেলার প্রশাসন :
কুষ্টিয়া জেলা ৬ টি উপজেলা, ৭টি থানা, ৫টি পৌরসভা, ৫৭টি ওয়ার্ড, ৭০টি মহল্লা, ৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৭১০টি মৌজা ও ৯৭৮টি গ্রামে বিভক্ত। উপজেলাগুলো হলো:
• কুমারখালী উপজেলা
• কুষ্টিয়া সদর উপজেলা
• খোকসা উপজেলা
• দৌলতপুর উপজেলা
• ভেড়ামারা উপজেলা
• মিরপুর উপজেলা

জেলার মোট জনসংখ্যা :
কুষ্টিয়া জেলার জনসংখ্যা ২৩,৬৬,৮১১ জন, যার মধ্যে ৫০.৮৬% পুরুষ ও ৪৯.১৪% মহিলা। জনসংখ্যার ৯৫.৭২% মুসলিম, ৪.২২% হিন্দু ও ০.০৬% অন্যান্য ধর্মাবলম্বী।

শিক্ষা :
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রথম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কুষ্টিয়ায় অবস্থিত। কুষ্টিয়ায় প্রথম স্থাপিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হলো রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় ।

অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছেঃ
• মেডিক্যাল কলেজঃ ২টি
• সরকারি মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালঃ ১টি(নির্মানাধীন)
• বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালঃ ১টি (সেলিমা মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতাল){নির্মানাধীন}
• সরকারি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলঃ ১টি
• বেসরকারি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল (ম্যাটস) ৫টি
• সরকারি কলেজঃ ১১টি

উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
কুষ্টিয়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (স্থাপিত ১৮৭৬),কুমারখালি এম এন পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় (স্থাপিত :১৮৫৬),
মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয় (স্থাপিত ১৮৯৮), কুষ্টিয়া সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ (স্থাপিত ১৯৪৭), কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজ (স্থাপিত ১৯৬৮), দৌলতপুর অনার্স কলেজ (স্থাপিত ১৯৮৫), কুষ্টিয়া হাই স্কুল এবং কুষ্টিয়া জিলা স্কুল (স্থাপিত ১৮৬১)। কুওয়াতুল ইসলাম কামিল (এম.এ) মাদরাসা, রক্সিগোলি, বড়বাজার, কুষ্টিয়া (প্রতিষ্ঠিত ১৯৫৫) ঐতিহ্যেবাহী হরিনারায়ণপুর হাইস্কুল (স্থাপিত. .১৮৯১)((আমলা সদরপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়)) (প্রতিষ্ঠিত ১৮৯৯)।

বৃহত্তর কুষ্টিয়া :
ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে কুষ্টিয়া কয়েকটি সাবডিভিশন নিয়ে গঠিত একটি বড় জেলা, যার প্রতিটি সাবডিভিশন পরবর্তীকালে জেলা হয়েছে। কিন্তু এই তিন জেলা চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর ও কুষ্টিয়ার মানুষের কাছে বৃহত্তর কুষ্টিয়া শুধুই একটি অতীত নয়, আরও কিছু। বিশেষভাবে উল্লেখ করা যায় যে, এই অঞ্চলের ও অবিভক্ত নদীয়া জেলার আদি বাসিন্দাদের মুখের ভাষার সাথে আধুনিক প্রমিত বাংলার ঘনিষ্ঠ মিল পাওয়া যায়। এই তিন জেলার অধিবাসীদের বৃহত্তর সমাজকে বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলা বলা হয়। বিভিন্ন সংস্থা যেমনঃ “বৃহত্তর কুষ্টিয়া এসোসিয়েশন”, “বৃহত্তর কুষ্টিয়া সমাজ” এই তিন জেলার জনগনের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

কুষ্টিয়ার অর্থনীতি :
বাংলাদেশের অন্যান্য বিভিন্ন অঞ্চলের মতো কুষ্টিয়া কেবল চাষাবাদের উপর নির্ভরশীল নয়। চাষাবাদের পাশাপাশি কুষ্টিয়ায় অসংখ্য শিল্প কারখানা গড়ে উঠেছে। কুষ্টিয়ায় মূলত তামাক, পাট, ধান, আখ, কাঠ, ধাতব দ্রব্য, যন্ত্রাংশ নির্মান, টেক্সটাইল এর উপর ভিত্তি করে শিল্প কারখানা গুলো গড়ে উঠেছে। কুষ্টিয়ায় অনেক তামাকের কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে নাসির টোব্যাকো লিমিটেড, ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো, দি ইউনাইটেড ঢাকা টোব্যাকো, পারফেক্ট টোব্যাকো, জাপান টোব্যাকো, এনবি টোব্যাকো, গ্লোবাল লিফ টোব্যাকো উল্লেখযোগ্য। বাংলাদেশের বৃহত্তম বৈদ্যুতিক তার তৈরির কারখানা বি.আর.বি. কেবলস কুষ্টিয়ায় অবস্থিত। জেলার কুমারখালি উপজেলায় গড়ে উঠেছে উন্নতমানের টেক্সটাইলস ও ফ্রেব্রিকস শিল্প। এখানে উৎপাদিত ফ্রেব্রিকস সামগ্রী দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। এছাড়া কুষ্টিয়ায় অসংখ্য অটো রাইস মিল রয়েছে। খাজানগর এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনে প্রায় ৪০০ টি অটো রাইস মিল এবং অসংখ্য এগ্রো ফুড ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠেছে। দেশের প্রায় ৭০% অটো রাইস মিল খাজানগর এলাকায় অবস্থিত। জেলার বিভিন্ন স্থানে জুট মিল, প্লাইউড ইন্ডাস্ট্রি, মেটাল ইন্ডাস্ট্রি জেলার অর্থনীতির চাকাকে গতিশীল করেছে। বিভিন্ন কলকারখানা গড়ে ওঠায় এককভাবে কৃষিকাজের উপর নির্ভরতা কম।

কুষ্টিয়ার শিল্প :
কুষ্টিয়া মূলত শিল্পে সমৃদ্ধ একটি জেলা। এখানে তামাক, পাট, ধান, আখ, কাঠ, টেক্সটাইল, ধাতব দ্রব্য, যন্ত্রাংশ নির্মান ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে অসংখ্য শিল্প কারখানা ও শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠেছে। উপমহাদেশের বিখ্যাত বস্ত্রকল মোহিনী মিল ১৯০৯ সালে এ জেলায় গড়ে উঠেছিল। তৎকালীন সময়ে উপমহাদেশের বস্ত্র চাহিদা পূরণ হতো এই মোহিনী মিল থেকে। এরপরে ব্রিটিশ আমলেই রেনউইক যজ্ঞেশ্বর এন্ড কোং এবং যজ্ঞেশ্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস নামে দুইটি যন্ত্রাংশ নির্মান কারখানা গড়ে ওঠে। তখন থেকেই মূলত এ জেলায় শিল্পকারখানার বীজ বপন হয়। তখন কোলকাতার সাথে এ জেলার সহজ রেল যোগাযোগ থাকায় আস্তে আস্তে আরো শিল্প কারখানা গড়ে ওঠে। বর্তমানে এ জেলায় বেশ কয়েকটি শিল্পাঞ্চল রয়েছে।
শিল্পাঞ্চল গুলো-
★ বিসিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট ১, কুষ্টিয়া সদর
★ বিসিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেট ২, কুমারখালি
★ খাজানগর এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন, কুষ্টিয়া সদর
★ জুগিয়া-বারখাদা ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন, কুষ্টিয়া সদর
★ ভাদালিয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন, কুষ্টিয়া সদর
★ আল্লারদর্গা ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন, দৌলতপুর
★ পোড়াদহ এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন, মিরপুর
★ ভেড়ামারা ইকোনোমিক জোন, ভেড়ামারা (৫০০ একরের বিশাল ইকোনোমিক জোন। বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে)।

কুষ্টিয়ায় শিল্পায়নের দরুন এ জেলায় দেশের বিখ্যাত কয়েকটি শিল্প গ্রুপও রয়েছে। কুষ্টিয়ার উল্লেখযোগ্য শিল্প গ্রুপ সমূহ-

★ বিআরবি গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লি.(৫৬ টি প্রতিষ্ঠান)
★ নাসির গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লি.(১৪ টি প্রতিষ্ঠান)
★ কে এন বি গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লি.(৮ টি প্রতিষ্ঠান)
★ রশিদ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লি.(৮টি প্রতিষ্ঠান)
★ এন বিশ্বাস গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লি.(১০ টি প্রতিষ্ঠান)
★ উডল্যান্ড গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লি.(৯ টি প্রতিষ্ঠান)
★ হেলথকেয়ার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লি.(৭টি প্রতিষ্ঠান)
★ বায়েজিদ গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লি.(৭টি প্রতিষ্ঠান)
★ কুষ্টিয়া মেটাল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ লি.(৭টি প্রতিষ্ঠান)
★ ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো (৬টি ইন্ডাস্ট্রিজ)
★ জাপান টোব্যাকো ইন্টারন্যাশনাল (৫টি ইন্ডাস্ট্রিজ)।

কুষ্টিয়ার বিখাত স্থান :
কুষ্টিয়া একটি প্রাচীন জনপদ। পূর্বে কুষ্টিয়া নদীয়া জেলার একটি মহকুমা ছিল। এখানে দেখার মত অনেক স্থান রয়েছেঃ

• রবীন্দ্রনাথের কুঠিবাড়ী – কুমারখালি উপজেলার শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত কুঠিবাড়ী রয়েছে।

• ফকির লালন সাঁইজির মাজার – বাউল ফকির লালন সাঁইজির মাজার কুমারখালি উপজেলার চাঁপড়া ইউনিয়নের ছেউড়িয়া গ্রামে।

• টেগর লজ – কুষ্টিয়া শহরের মিলপাড়ায় অবস্থিত এই দোতলা ভবনটি।

• পরিমল থিয়েটার – কুষ্টিয়া শহরের স্থায়ী রঙ্গমঞ্চ।

• গোপীনাথ জিউর মন্দির – নলডাঙ্গার মহারাজা প্রমথ ভূষণ দেব রায় কর্তৃক দানকৃত জমির উপর নির্মিত।

• মীর মশাররফ হোসেনের বাস্তুভিটা – বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেনের বাস্ত্তভিটা কুমারখালী উপজেলার লাহিনীপাড়ায় অবস্থিত।

• পাকশী রেল সেতু – কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় অবস্থিত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেল সেতু।

• লালন শাহ সেতু – কুষ্টিয়া জেলার পদ্মা নদীর উপর নির্মিত “লালন শাহ” সেতুটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেতু।

★ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও তাদের পরিচয় :
• লালন শাহ্ – প্রখ্যাত বাউল ও মরমী গানের স্রষ্টা

• ব্যারিস্টার এম,আমীর-উল-ইসলাম – বিশিষ্ট আইনজীবী ও মুক্তিযোদ্ধা

• প্যারীসুন্দরী দেবী – নীলকর টমাস আইভান কেনির কৃষকদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলন করেন

• কাঙাল হরিনাথ – সাময়িক পত্রসেবী, সমাজ বিপ্লবী ও বাউল কবি

• জলধর সেন – ভ্রমণ কাহিনী ও উপন্যাস লেখক

• মোহিনী মোহন চক্রবর্তী – প্রখ্যাত ব্যবসায়ী ও পূর্ববাংলার সর্ববৃহৎ কাপড়ের কল চক্রবর্তী এন্ড সন্স-এর প্রতিষ্ঠাতা

• গগন হরকরা – প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ

• মীর মশাররফ হোসেন – প্রখ্যাত সাহিত্যিক

• অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় – ইতিহাসবিদ, আইনজীবি
ও সাহিত্যিক এবং বিজ্ঞান সম্মত প্রণালীতে বাংলা ভাষায় ইতিহাস রচনায় পথিকৃত

• মাহবুবুল আলম হানিফ – বর্তমান সংসদ সদস্য, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

• যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (বাঘা যতীন) – অগ্নিযুগের প্রখ্যাত স্বদেশী নেতা ও সশস্ত্র সংগ্রামী

• ড. রাধা বিনোদ পাল – প্রখ্যাত আইনজীবি, আইন সম্পর্কিত বহু গ্রন্থের রচয়িতা ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আন্তর্জাতিক সামরিক আদালতের বিচারকের দায়িত্ব পালনকারী

• খগেন্দ্রনাথ মিত্র – খ্যাতনামা শিশু সাহিত্যিক।

• ড. কাজী মোতাহার হোসেন – সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, সঙ্গীতজ্ঞ ও দাবাড়ু

• মাহমুদা খাতুন সিদ্দিকা – বাঙ্গালী মুসলিম মহিলাদের মধ্যে প্রথম সনেট ও গদ্য ছন্দে কবিতা লিখেছেন

• আজিজুর রহমান – কবি, গীতিকার ও কুষ্টিয়ার ইতিহাস সন্ধানী।

• রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই – খ্যাতনামা শিশু সংগঠক

• মোঃ আফতাব উদ্দিন খান, মুক্তিযুদ্ধের আন্যতম সংগঠক, কুষ্টিয়া জেলার সর্ববৃহত গেরিলা যুদ্ধের নেতৃত্ব প্রদানকারী গেরিলা কমান্ডার।

• কাজী আরেফ আহমেদ – মুক্তিযুদ্ধের বিশিষ্ট সংগঠক ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকার।

• স্যার মন্মথনাথ মুখোপাধ্যায় – কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ও আইনশাস্ত্রবিদ

• শিবেন্দ্রমোহন রায় – ব্রিটিশ আমলের কমিউনিস্ট কর্মী এবং মানবাধিকার আন্দোলনের শহীদ।

• আবদুর রউফ চৌধুরী – মুক্তিযোদ্ধা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতিবিদ এবং কুষ্টিয়া-২ (ভেড়ামারা-মিরপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য।

• শাহ আজিজুর রহমান – রাজনীতিবিদ ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী

• হাবিবুল বাশার সুমন – বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক

• এনামুল হক বিজয় – বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওপেনার

• মোহাম্মদ মিঠুন – বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য।

• এস আই টুটুল – বিশিষ্ট সংগীত পরিচালক, সুরকার ও গায়ক।

• এ্যাডটোকেট আজিজুর রহমান আক্কাস – মুক্তিযোদ্ধা ,সংগঠক , কুষ্টিয়া ১ আসনের এম পি

• আহসানুল হক (পচামোল্লা) – জেলা বিএনপি সাবেক সভাপতি, সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

• আল্লামা সোবহান -ইসলামীক চিন্তাবীদ।

• কোরবান আলী – সাবেক খাদ্য প্রতিমন্ত্রী।

• সিরাজুল হক চৌধুরী- বাংলাদেশ লাঠিয়ার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা।

• মারফত আলী-মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এবং রাজনীতিবিদ।

• সালাউদ্দিন লাভলু
বাংলাদেশী অভিনেতা, চিত্রনাট্যকার এবং টিভি পরিচালক।

• মিজু আহমেদ -অভিনেতা ৷

• আহমেদ শরীফ- অভিনেতা।

• আব্দুল জব্বার -মুক্তিযোদ্ধা,স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী।

• সালমা আক্তার- সঙ্গীত শিল্পী।

• শফি মন্ডল- জনপ্রিয় বাউল শিল্পী।

• বন্যা মির্জা- মঞ্চ ও টিভি অভিনেত্রী।

১৮১২ সালে দর্শনা থেকে কুষ্টিয়া জগতি পর্যন্ত সর্ব প্রথম রেললাইন তৈরি করে। এইটি বাংলাদেশের প্রথম রেলপথ ও পোড়াদহ প্রথম রেল জংশন।দূর্ভাগ্য হলেও সত্য বর্তমানে পোড়াদহ জংশন হিসেবে ঘোষিত হয়নি।অনেক আগে এমন কোন রেলগাড়ি নেই ওখানে হোল্ড করেনি (মৈত্রী এক্সপ্রেস)।

বৃহত্তর কুষ্টিয়া ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানি ঘোষিত হয় (মেহেরপুর বৈদ্যনাথতলা),পর্বতীতে কুষ্টিয়া কে ভেংগে তিনটা জেলাই করা হয়।১৯৭১ সালে কুষ্টিয়া জেলা ৮ নং সেক্টর অন্তভুক্ত ছিল।কমান্ডার ছিলেন মেজর ওসমান চৌধুরী ও মেজর এম এ মনছুর।

এই সংবাদটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Design & Developed BY Anamul Haque Rasel