রবিবার, ২৫ Jul ২০২১, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন

ঘোষনা :
*** দেশের জনপ্রিয় বাংলা অনলাইন পত্রিকা স্বদেশ বার্তা ২৪ ডটকমে আপনাকে স্বাগতম।সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ জানতে স্বদেশ বার্তা ২৪ ডটকমের সাথে থাকুন।*** স্বদেশ বার্তা ২৪ ডটকমের জন্য সারাদেশে জেলা ,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীগণও আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রেরণের প্রক্রিয়াঃ ই-মেইল: news.swadeshbarta24@gmail.com প্রয়োজনে মোবাইলঃ ০১৭৮২৬৬৪০৬৬
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় মৃত্যুর মিছিলে যোগ হলো আরো ১৭ জন কুমারখালীতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় জরিমানা পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা: ফেরির মাস্টার সাময়িক বরখাস্ত কুষ্টিয়ায় ওয়ান শুটার গান ও দুই রাউন্ড গুলিসহ রাজু আটক কুষ্টিয়ার ১০৯ বছরের প্রবীন ইয়াকুব মালিথা আর নেই নড়াইলে অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন আমেরিকা প্রবাসী  স্থানীয়ভাবে কোরবানির পশুর চামড়া দ্রুত লবণযুক্ত করে সংরক্ষণ করতে হবে : শিল্পসচিব কুষ্টিয়াতে জেলা পুলিশ ও বিচার বিভাগের প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত বিধি ভঙ্গ করে ঈদ জামাত: মালয়েশিয়ায় ৪৮ বাংলাদেশি রিমান্ডে মুজিবনগরে নিজের ব্যবহৃত রাইফেল ঠেকিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের আত্মহত্যা যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফল ও মিষ্টি পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা টিভি চ্যানেলে ঈদের বিশেষ আয়োজন ফ্লু, করোনা, নাকি ডেঙ্গু জ্বর কোরবানির পশুর হাট, দাম কমেছে, বেড়েছে ভিড়

তাকে আ-বা-র প্রয়োজন- এটা আমার মূল্যায়ন

তাকে আ-বা-র প্রয়োজন- এটা আমার মূল্যায়ন

কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে মো: শরিফুল আলম।

স্বদেশ ডেস্ক: আগামী নির্বাচনে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে মো: শরিফুল আলমের বিকল্প নাই। নির্বাচনের আলোচনা উঠলেই তাকে মূল্যায়নের প্রসঙ্গ উঠে আসছে। সঙ্গত কারনেই অত্র ইউনিয়নটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে এখানে তার মত যোগ্য লোকের খুবই প্রয়োজন।
বিগত দিনে অনেকেই অত্র ইউনিয়নে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন, কিন্তু কেউই তেমন উন্নয়ন করতে পারেন নাই। একমাত্র শরিফুল আলম নিজের দক্ষতা আর প্রচেষ্টায় ইউনিয়নের চেহারা পাল্টে ফেলেছেন। রাস্তা ঘাট, শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান, কালভার্ট ব্রীজ, মসজিদ, গোরস্থান, নারী, শিশু, বিধবা, প্রতিবন্ধি, বয়োস্ক মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বিভিন্ন বাজার ও প্রতিষ্ঠানে পানির ব্যবস্থাসহ অসংখ্য কাজ করেছেন তিনি। যদুবয়রা এখন একটি মডেল ইউনিয়নে পরিনত হয়েছে। বিচার ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করেছেন আশাতীত। সে কারনে আমি মনে করি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে যদুবয়রা ইউনিয়ন পরিষদের সফল চেয়ারম্যান শরিফুল আলমের পুনরায় চেয়ারম্যান হিসাবে নির্বাচন করা ও বিজয়ী হওয়া প্রয়োজন, এটা সময়ের দাবীও বটে।
মো: শরিফুল আলম চেয়ারম্যান এর রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছাত্রজীবন থেকেই। কুমারখালী কলেজ ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন তিনি। এছাড়াও কুমারখালী থানা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সভাপতি, কুমারখালী থানা যুবলীগ এর সক্রিয় কর্মী ছিলেন, যদুবয়রা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, কুমারখালী থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সদস্য, কুমারখালী থানা আওয়ামীলীগের বর্তমান কমিটিতিও আছেন শরিফুল আলম চেয়ারম্যান।
জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি বারবার নির্বাচিত হয়েছেন। যদুবয়রা ইউনিয়ন পরিষদের বারবার নির্বাচিত মেম্বর ও চেয়ারম্যান হয়ে কাজের মূল্যায়নে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হয়েছেন মোঃ শরিফুল আলম। এক সময়ের দাপুটে মেম্বর পিতা সাহেব সদ্দারের পথ পরিক্রমায় হাঁটা শুরু করেন তিনি।
শিক্ষা ক্ষেত্রে যদুবয়রা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চার বার ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচিত সভাপতি, এনায়েতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাধিক বার ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচিত সভাপতি, চৌরঙ্গী উচ্চ-মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচিত সভাপতি, কুমারখালী সরকারি কলেজের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচিত সদস্য ছিলেন জনাব মোঃ শরিফুল আলম।
তিনি রাজনীতি করতে নামলে ৮০ ও ৯০ দশকে অনেক রাজনৈতিক মামলা হয় তার নামে। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্র নেতা ছিল মোঃ শরিফুল আলম চেয়ারম্যান। ২০০১ সালে বিএনপি সরকার আসার পরে তার নামে রাজনৈতিক ভাবে ১০-১২টা মামলা হয়। এসময় দলের যদুবয়রা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগকে সুসংগঠিত করে নেতৃত্ব দিয়েছেন। মোঃ শরিফুল আলম চেয়ারম্যান না থাকলে যদুবয়রা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ এত শক্তিশালী হতো কীনা সন্দেহ আছে। ২০০৭ সালে ১/১১ এর সরকার আসার পরে আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের পর কুমারখালী থানা আওয়ামীলীগের একমাত্র নেতা হিসাবে মো: শরিফুল আলমকে ১/১১ সরকার গ্রেফতার করে ৬ মাস জেল-হাজতে রাখে ।
তার রাজনীতির কারনে পরিবারের সদস্যরাও হামলা-মামলা ও জেল হাজতে গিয়েচছ। বড় ভাই মো: শহিদুল ইসলাম (সাবেক যুগ্ন-আহ্বায়ক, যদুবয়রা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ), তার ভাগ্নে মো: ফরহাদ বিশ্বাস (সভাপতি, ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ, যদুবয়রা ইউনিয়ন), ভাতিজা মো: সেলিম রেজা (সাবেক ছাত্র নেতা) এরা জেল ও মামলার শিকার হয়।
আসন্ন যদুবয়রা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে তাকেই দেখতে চাই উন্নয়নকামী জনগন। অনেকেই মন্তব্য করেন এক সময়ের চরম ডংকাবাজ মানুষটি আজ মাটির মানুষে পরিনত হয়েছেন। মেধা যোগ্যতা আর দক্ষতার গুণে তিনি গুনান্বিত। জীবনের শেষ প্রান্তে কী আর চাওয়া-পাওয়া থাকতে পারে! এলাকার উন্নয়নে তার পথচলা এখন একমাত্র লক্ষ্য। তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে আ-বা-র প্রয়োজন-এটা আমার মূল্যায়ন।

এই সংবাদটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Design & Developed BY Anamul Haque Rasel