রবিবার, ২৫ Jul ২০২১, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন

ঘোষনা :
*** দেশের জনপ্রিয় বাংলা অনলাইন পত্রিকা স্বদেশ বার্তা ২৪ ডটকমে আপনাকে স্বাগতম।সবার আগে সর্বশেষ সংবাদ জানতে স্বদেশ বার্তা ২৪ ডটকমের সাথে থাকুন।*** স্বদেশ বার্তা ২৪ ডটকমের জন্য সারাদেশে জেলা ,উপজেলা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীগণ জীবন বৃত্তান্ত, পাসপোর্ট সাইজের ১কপি ছবি ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রসহ ই-মেইল পাঠাতে পারেন। শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক পাস এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীগণও আবেদন করতে পারবেন। আবেদন প্রেরণের প্রক্রিয়াঃ ই-মেইল: news.swadeshbarta24@gmail.com প্রয়োজনে মোবাইলঃ ০১৭৮২৬৬৪০৬৬
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় মৃত্যুর মিছিলে যোগ হলো আরো ১৭ জন কুমারখালীতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় জরিমানা পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা: ফেরির মাস্টার সাময়িক বরখাস্ত কুষ্টিয়ায় ওয়ান শুটার গান ও দুই রাউন্ড গুলিসহ রাজু আটক কুষ্টিয়ার ১০৯ বছরের প্রবীন ইয়াকুব মালিথা আর নেই নড়াইলে অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন আমেরিকা প্রবাসী  স্থানীয়ভাবে কোরবানির পশুর চামড়া দ্রুত লবণযুক্ত করে সংরক্ষণ করতে হবে : শিল্পসচিব কুষ্টিয়াতে জেলা পুলিশ ও বিচার বিভাগের প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত বিধি ভঙ্গ করে ঈদ জামাত: মালয়েশিয়ায় ৪৮ বাংলাদেশি রিমান্ডে মুজিবনগরে নিজের ব্যবহৃত রাইফেল ঠেকিয়ে পুলিশ কনস্টেবলের আত্মহত্যা যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফল ও মিষ্টি পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা টিভি চ্যানেলে ঈদের বিশেষ আয়োজন ফ্লু, করোনা, নাকি ডেঙ্গু জ্বর কোরবানির পশুর হাট, দাম কমেছে, বেড়েছে ভিড়

নগদের ডিজিটাল মারপ্যাঁচে বয়স্ক ভাতার টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ

নগদের ডিজিটাল মারপ্যাঁচে বয়স্ক ভাতার টাকা নয়ছয়ের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক গরিব অসহায়দের বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের পরিবর্তে সারা দেশে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট নগদের মাধ্যমে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে নানা জটিলতার কারণে ভাতার টাকা সংগ্রহ করতে পারছেন না অধিকাংশ অসহায় জনসাধারণ। এর আগে সহজেই ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা উঠাতে পারলেও বর্তমানে ডিজিটাল মারপ্যাঁচে ভাতার টাকা উঠাতে নানা জটিলতা পোহাতে হচ্ছে।

অনেকে কয়েক মাস ধরে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও সংগ্রহ করতে পারছে না ভাতার টাকা। এতে করে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে অসহায় দরিদ্র ও ভাতার টাকার ওপর নির্ভরশীল জনসাধারণদের।
কুষ্টিয়ার বটতৈল ইউনিয়নের বরিয়া এলাকার বাসিন্দা অসহায় ভানু নেছা (৮৯) । গত দশ বছর ধরে নিয়মিত ব্যাংকের মাধ্যমে বয়স্ক ভাতা পেয়ে আসছিলেন তিনি।

কিন্তু গত ২০২১ সালের মে মাসে ২৭ তারিখে বয়স্ক ভাতার ৩০০০/- তিন হাজার টাকা ভুক্তভোগীর একটি নাম্বারে সমাজ সেবা অফিস থেকে নগদ একাউন্ট খুলে টাকা পাঠানো হয়। যাহার পিন নাম্বার ভুক্তভোগী জানে না।
তার টাকা তার মুঠো ফোনের নগদ একাউন্টে চলে এসেছে। কিন্তু এই টাকা দেখবেন কিভাবে টাকাটা তুলবেন কিভাবে সেটা তার জানা নাই। তিনি তার নগদ একাউন্টের পিন নম্বরটি জানেন না। তিনি দাবি করছেন সমাজসেবা অফিসের যারা তাকে নগদ একাউন্ট খুলে দিয়েছিল তারা তাকে পিন নম্বরটি বলেনি।

এ জন্য তিনি কুষ্টিয়া সমাজসেবা অফিসে ও স্থানীয় ইউপি সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলছে আপনার টাকা পাঠিয়ে দিয়েছি এখন নগদ অফিস থেকে পিন নাম্বার সংগ্রহ করে নিন। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া শহরে পুরাতন আলফার মোড় নগদ অফিসে যোগাযোগ করলে তারা জানান ১৬১৬৭ নাম্বারে ৭ দিন ধরে যোগাযোগ করার চেষ্টার পরে ৩০ জুন রাত ১২ টার পরে নগদ অফিস ফোন রিসিভ করলে তারা একটি পিন নাম্বার সেট করে দেই।
তারপর ভানু নেছার নগদ একাউন্টটে ঢুকে দেখে তার ব্যালেন্স ১০ টাকা আছে। তার ভাতার ৩০০০/-( তিন হাজার টাকা) একই মাসের ২৮ তারিখে 01894844580 একটি এজেন্ট নাম্বার থেকে উত্তলোন করে নিয়েছে। যে নম্বরে টাকা গেছে ওই নাম্বারটিও বন্ধ রয়েছে। ভুক্তভোগী বলেন।আমার নগদ একাউন্টের পিন নাম্বার সেট করা হলো ৩০ তারিখে তাহলে ২৮ তারিখে কিভাবে অন্য নাম্বার থেকে টাকা উত্তলোন করলো।

এবিষয়ে কয়েকবার নিকটস্থ ইউনিয়ন পরিষদে ও সমাজ সেবা দৌড়াদৌড়ি করলে ও টাকার কোনো সুরাহা করতে পারেননি তিনি। সমাজসেবা ও নগদ অফিস থেকে বলা হয়েছে এই টাকার ব্যাপারে তাদের কিছুই করার নেই।

সরেজমিন কুষ্টিয়ার প্রতিটি ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, এমন অহরহ সমস্যা। প্রতিটি ইউনিয়নেই এ সমস্যা বিদ্যমান রয়েছে। প্রতিদিনই ইউনিয়ন পরিষদে ভিড় করছে ভাতা না পাওয়া লোকজন। এদের মধ্যে কেউ কেউ নিজের নগদ পিন নম্বরটি জানেন না। কারো কারো মোবাইল নম্বর ভুল উঠানো হয়েছে। কারো কারো ২/১টা ডিজিট ভুল উঠেছে। কারো কারো অন্য অপরিচিত নম্বরে টাকা চলে গেছে। বেশির ভাগের টাকা অন্য নম্বরে ভুলে চলে যাওয়ার কারণে গত ৬ মাসের ভাতা বঞ্চিত হয়েছে ভাতা ভোগকারীদের বড় একটা অংশ। আর এই ভুলের দায় সমাজসেবা অফিস বা স্থানীয় নগদ কর্তৃপক্ষ কেউ নিতে চাইছে না। তারা একে অপরকে পাল্টাপাল্টি দোষারোপ করছে।

স্থানীয় কয়েকজন জনসাধারণের সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন, আগে ভাতার টাকা ব্যাংকে দেওয়া হতো, সেটাই ভালো ছিল। এখন ডিজিটাল করাতে সুবিধার চেয়ে অসুবিধা বেশি হয়েছে। বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা যারা নেয়, তাদের অনেকের মোবাইল ফোন নেই, নেই নগদ একাউন্ট, টাকা সংগ্রহের জন্য তাদের তৃতীয় পক্ষের আশ্রয় নিতে হয় এটা একটা অসুবিধা। অনেকেই নগদেও পিন নম্বর কি সেটা জানেন না এটা একটা সমস্যা। এছাড়া যারা এই ভাতা সুবিধা ভোগকারীদের একাউন্টগুলো খুলে দিয়েছেন তারা কাজের সময় খামখেয়ালী করেছে। ঠিকমতো কাজ করেনি বিধায়ই নম্বরগুলো উল্টা-পাল্টা হয়েছে।

দুই একটা ভুল হয়তো মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু অধিকাংশ নম্বরেই ভুল এটা মেনে নেওয়া কষ্টকর। এখানে অন্য কোনো বিষয় আছে কিনা সেটা ভাবার বিষয়।
প্রধানমন্ত্রীর যে উদ্যোগ তা নস্যাৎ করতে যদি কোনো চক্র কাজ করে থাকে তাহলে তাদের প্রতিহত করতে আইনি পদক্ষেপসহ সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবি জানান ভুক্তভোগীসহ সাধারণ জনগন।এবং প্রশাসনের দৃশ্য আকর্ষনের ও দাবি জানান।

এই সংবাদটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
Design & Developed BY Anamul Haque Rasel