শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ১১:০৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে এজাহারভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী আলিম গ্রেফতার কুষ্টিয়ার মিরপুরে মেছোবাঘ উদ্ধার কুষ্টিয়ায় ১১ হাজার অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণে মাহাবুব আলম হানিফ কুষ্টিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে চোলাইমদ সহ ০১ জন গ্রেফতার করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড.আহসান উল্লাহ ফয়সাল মেহেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রী নিহত আহত-৬ কুষ্টিয়ায় কর্মহীন মটর শ্রমিকদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী তুলে দিলেন জেলা প্রশাসক কুষ্টিয়ায় ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে বিয়ের দাবিতে কলেজ ছাত্রীর অনশন কবর থেকে উঠতে পারে কুমারখালীর গৃহবধূর লাশ, থানায় হত্যা মামলা দায়ের
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় শ্বাশুড়ি কতৃক গৃহবধূকে  আগুন ধরিয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় শ্বাশুড়ি কতৃক গৃহবধূকে  আগুন ধরিয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ

 ভেড়ামারা প্রতিনিধি। কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার উপজেলার মধ্য সাতবাড়িয়া গ্রামের রানার স্ত্রী বেলী খাতুনকে শ্বাশুড়ি কতৃক শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুনে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানাযায়, বেলী খাতুন বাবা-মা ও পরিবার পরিজনকে ছেড়ে ভালবেসে রানার হাত ধরে সুখের সংসার করতে এসেছিল এই বাড়ীতে। কিন্তু শ্বাশুড়ির কারণে আজ বেলী মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
প্রায় দিনই নানা বিষয় নিয়ে চলতো বউ শাশুড়ীর যুদ্ধ। আজ রোববার ঝগড়াঝাটির জের ধরেই এক পর্যায়ে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।
বেলীর গায়ে আগুন দেয়ার সময় সে বাড়িতে বউ শাশুড়ী ছাড়া আর কেউই ছিলনা। বাড়ীর দরজাও বন্ধ করা ছিলো। বেলীর চিৎকারে ও আগুনের ধোয়া দেখে পার্শ্ববর্তী নজরুল ইসলামের ছেলে রিপন আলী ছুটে গিয়ে দরজা ভেঙ্গে গৃহবধূকে উদ্ধার করে। এরপর এলাকাবাসী ছুটে এসে গুরুতর অবস্থায় ভেড়ামারা উপজেলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে অবস্থা আরো বেশী বেগতিক দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক বেলী খাতুনককে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে রেফার্ড করেন।
পরে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল থেকে রেফার্ড করা হলে আশংকাজনক অবস্থায় গৃহবধূকে ঢাকায়
নেয়া হচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী জানান শ্বাশুড়ি বৌমার ঝগড়াঝাটির এক পর্যায়ে শ্বাশুড়ি রান্নাঘর থেকে কেরোসিন এনে গায়ে ঢেলে বেলীর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়।
রমজানের স্ত্রী বেলীর শ্বাশুড়ি এ ব্যাপারে মুখ খুলতে নারাজ। তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।
এলাকাবাসীর দাবী এধরনের নির্মম নির্যাতনের
কঠোর শাস্তি হওয়া দরকার। যেন পূনরায় এমন ঘটনা পুনরায় কোন শাশুড়ী করার স্পদ্ধা না পায়।
এব্যাপারে ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছে কেউ আসেনি এমনকি থানাতেও এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ দায়ের হয়নি।
ধরমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাবুল আলম লালু নিন্দা প্রকাশ করে জানান,
ঘটনা তদন্ত করে দোষী ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হোক। অপরাধী যেই হোকনা কেন তার কোন ছাড় নাই।

এই সংবাদটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © swadeshbarta24.com
Design & Developed BY Anamul Haque Rasel