বানিয়াচংয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে আটক ১৫

প্রকাশ: ১৬ ঘন্টা আগে

প্রতিনিধি,হবিগঞ্জ :
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় পূর্ববিরোধের জের ধরে জায়েদুল মিয়া (২৬) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ১৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। পরে আটক ব্যক্তিদের নিয়ে যাওয়ার সময় নিহতের স্বজনদের সঙ্গে অভিযুক্ত পক্ষের লোকজনের সংঘর্ষে চার পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।আজ সকাল ১১টার দিকে উপজেলার মন্দরি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জায়েদুল মিয়া ওই গ্রামের লোকমান মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের ভাষ্য, মন্দরি গ্রামে সাবেক চেয়ারম্যান শেখ শামসু মিয়া ও মজিদ খানের গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে শুক্রবার সকালে হাওরে কৃষিকাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন জায়েদুল মিয়া। পথে মজিদ খানের বাড়ির কাছে পৌঁছালে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জায়েদুল মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় বদির মিয়া, মজিদ খান, সরোয়ার, সেলিম, শহিদ, সইফুল ও মিজানসহ ১৫ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে চারজনকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পুলিশ প্রহরায় ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে জায়েদুলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশ আটক ব্যক্তিদের নিয়ে যাওয়ার সময় নিহতের স্বজনরা অভিযুক্ত পক্ষের লোকজনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। এ নিয়ে বিকেলে ফের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে চার পুলিশ সদস্যসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হন।
বানিয়াচং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ নাজমুল হক জানান, মন্দরি গ্রামে সাবেক চেয়ারম্যান শেখ শামসু মিয়ার গোষ্ঠী ও মজিদ খানের গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে।
ওসি আরও জানান, শুক্রবার রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে। তবে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।