দুই বছর অনুপস্থিত থেকেও বেতন উত্তোলনের অভিযোগ

লেখক: প্রতিনিধি, সিরাজগঞ্জ:
প্রকাশ: ২ ঘন্টা আগে

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার দবিরগঞ্জ আলহাজ্ব আহমদ আলী দাখিল মাদ্রাসার সুপার সেফয়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন প্রতিষ্ঠানে অনুপস্থিত থেকেও বেতন উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। মাদ্রাসার কয়েকজন শিক্ষক ও স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে, তিনি প্রায় দুই বছর ধরে নিয়মিতভাবে মাদ্রাসায় উপস্থিত না থাকলেও সরকারি বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন অনিয়ম ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে সুপার সেফয়েত উল্লাহ মাদ্রাসায় নিয়মিত উপস্থিত হননি। বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে ছয় মাসের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল বলেও জানা গেছে। তবে সাময়িক বরখাস্তের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তিনি স্বশরীরে প্রতিষ্ঠানে যোগদান করেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

মাদ্রাসার একাধিক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সুপার সেফয়েত উল্লাহ প্রায় দুই বছর ধরে মাদ্রাসায় আসেন না। তাদের দাবি, তিনি বাড়িতে অবস্থান করেই হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেছেন এবং অনুপস্থিত থাকা অবস্থায়ও বেতন-ভাতা গ্রহণ করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আরও জানায়, মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের বিধি অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্তের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মচারীকে স্বশরীরে প্রতিষ্ঠানে যোগদান করতে হয়। অন্যথায় তার চাকরির অবস্থান ও বেতন-ভাতা গ্রহণের বিষয়ে প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুপার সেফয়েত উল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি মাদ্রাসায় যোগদানের জন্য গিয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে মাদ্রাসায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।”

উল্লাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল কাদের বিশ্বাস বলেন, তিনি মাদ্রাসায় ঢুকতে পারেন না এবিষয়টি জেনেছিলাম। তিনি মাদ্রাসায় ঢুকতে না পারলে আমরা তো তাকে পাহারা দিয়ে মাদ্রাসায় দায়িত্ব পালন করাতে পারবো না। এছাড়া তার যে সাময়িক বহিষ্কার ছিলো সেটিরও মেয়াদ শেষ হয়েছে।

  • অনিয়ম
  • মাদ্রাসা
  • সিরাজগঞ্জ