আমশড়ায় পাড়বিহীন পুকুরে ভাংলো পাকা সড়ক : শিক্ষার্থী, পথচারী ও যানবাহন চালকদের দুর্ভোগ

প্রতিনিধি, সলঙ্গা:
প্রকাশ: ৯ ঘন্টা আগে

প্রতিদিনের সকাল যেন এই এলাকার মানুষের জন্য নতুন এক সংগ্রামের নাম। বইয়ের ব্যাগ নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটে চলছে এলাকার শিক্ষার্থীরা।আর জীবিকার তাগিদে পথে বের হওয়া ভ্যান চালকসহ হাজারো খেটে খাওয়া মানুষ। কিন্তু সবার পথই এসে থেমে যায় আমশড়া রাস্তার দুর্ভোগ আর আতঙ্কের কাছে। এক শ্রেণীর ভূমিগ্রাসীদের পাড়বিহীন,অপরিকল্পিত পুকুর খননই এলাকার পথচারীদের দুর্ভোগের মুল কারন।আষাঢ়ের অবিরাম বর্ষণে পাকা রাস্তা ভেঙ্গে পুকুরে নিমজ্জিত হওয়ায় চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাড়াশ-সলঙ্গা রাস্তার সংযোগকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ জোড়পুকুর বাজার টু ধুবিল আমতলা পাকা সড়কের প্রতিদিনের বাস্তবচিত্র।প্রতিদিন সকালে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে শত শত শিক্ষার্থী,সাধারণ পথচারী,ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ হাজারো মানুষ।এই সড়ক ব্যবহারকারী অসুস্থ রোগীদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।স্থানীয়দের অভিযোগ,সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সড়কটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে আমশড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণে আব্দুর রাজ্জাকের বাড়ি হতে শামসুল হক তারা মাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত সরোয়ার,খালেক,মালেক,তারা মাস্টারগংদের পুকুরে পাড় না দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাছ চাষ করে আসছে। আষাঢ়ের বর্ষণে উক্ত পুকুর সংলগ্ন পাকা রাস্তা ধসে পুকুরে নিমজ্জিত হয়েছে।সিএনজি,অটোভ্যান-রিক্সাসহ ছোট যানবাহন চলাচলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে।কখনো যানবাহন উল্টে যাচ্ছে।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বারবার জানালেও রাস্তাটি মেরামতে কোন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না।হুশিয়ারি দিয়ে ভুক্তভোগীরা আরো বলেন,প্রয়োজনে দ্রুত রাস্তা মেরামত ও ভূমিগ্রাসী পুকুর খননকারীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করতে বাধ্য হব।এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ফোনে চেষ্টা করলেও রিসিভ হয়নি।
রায়গঞ্জ উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী জানান,পুকুর খনন করতে হলে রাস্তা থেকে ১০ ফিট দুরে পাড় দিতে হবে।এর ব্যত্যয় হলে পুকুর মালিকের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তাই,আমশড়াবাসীর প্রত্যাশা,সংস্কারের মাধ্যমে এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি ফিরে পাবে তার স্বাভাবিক রূপ,আর হাজারো মানুষ ও শিক্ষার্থীর প্রতিদিনের পথচলা মুক্ত হবে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ ও আতঙ্ক থেকে।