
প্রতিনিধি,সভার :
আশুলিয়ায় বিপুল পরিমাণ গাঁজার চালানসহ দুই পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি-৪। অভিযানে তাদের কাছ থেকে ১৩৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য ৩৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
আজ বেলা ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন এসআরবি-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম রেজাউল হক।এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে আশুলিয়ার বগাবাড়ী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তার দুজন হলেন- মো. শাহিন আলম (২৩) ও মো. বাবুল (৩২)।এসআরবি-৪ সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে কুপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি চৌকস আভিযানিক দল বগাবাড়ী বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।একপর্যায়ে শাহিন আলম ও বাবুলকে আটক করা হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে ১৩৭ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি-৪ আরো জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে আশুলিয়ায় এনে মজুদ করার কথা স্বীকার করেছে। পরবর্তী সময়ে তারা আশুলিয়া, সাভার, ধামরাইসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে গাঁজা সরবরাহ করত বলে জানিয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, একসঙ্গে ১৩৭ কেজি গাঁজা উদ্ধারের ঘটনাটি স্থানীয় মাদক সরবরাহ ব্যবস্থার একটি বড় চালানের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই চালানের উৎস, অর্থের জোগানদাতা, পরিবহনব্যবস্থা এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্য মাদক কারবারিদের শনাক্ত করতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তাদের পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ মাদকচক্র রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এ বিষয়ে এসআরবি-৪, সিপিসি-২ এর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এমন রেজাউল হক বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৩৭ কেজি গাঁজাসহ দুই পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের মাদক সংগ্রহ ও সরবরাহের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মাদকের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার শাহিন আলম ও বাবুলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই এসআরবি কর্মকর্তা।
