কেশরহাটে দোকান বরাদ্দে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশ: ৫৭ minutes ago

প্রতিনিধি,রাজশাহী :
রাজশাহীর মোহনপুরে কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মার্কেটের দোকান বরাদ্দের জামানত ও দোকান দখল-চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম।আজ রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে নজরুল ইসলাম দাবি করেন, মার্কেটের একাধিক দোকানের জন্য চুক্তিপত্রের মাধ্যমে তিনি মোট ৩১ লাখ টাকা জামানত দেন। এছাড়া প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে দোকান ও মসজিদের নির্মাণকাজে নিজ খরচে আরও ৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪২০ টাকা ব্যয় করেন। দীর্ঘদিন ধরে জামানতের অর্থ ফেরত না দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর দোকান দখল, মালামাল সরিয়ে নেওয়া ও রাতের আঁধারে কয়েক লাখ টাকার মালামাল চুরির অভিযোগও করেন তিনি। মার্কেটের ত্রুটির কারণে পানি ঢুকে প্রায় ১১ লাখ টাকার মালামাল নষ্ট হয়েছে বলেও দাবি করেন।নজরুল আরও অভিযোগ করেন, আইনি প্রতিকার চাইতে গিয়ে মোহনপুর থানায় তাকে ৭ ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়েছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, পাওনা অর্থ ফেরত, ক্ষতিপূরণ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।অভিযোগ অস্বীকার করে কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, “দোকান ছাড়লে জামানতের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।” অন্যান্য অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে নিয়ে একাধিকবার বৈঠক হলেও তিনি তাদের মীমাংসা মেনে নেননি বলেও জানান।