সলঙ্গার সাংবাদিক অঙ্গনের সুপরিচিত মুখ,সলঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতায় নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী সিনিয়র সাংবাদিক সাহেদ আলী আর নেই।আজ বুধবার সকাল ১০টায় এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি….. রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর।
সাহেদ আলীর মৃত্যুতে সলঙ্গাসহ পুরো সাংবাদিক সমাজে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। দীর্ঘ ৩০ বছরের সাংবাদিকতা জীবনে তিনি স্থানীয়, আঞ্চলিক ও জাতীয় বিভিন্ন দৈনিকে সততা,নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে সংবাদ পরিবেশন করে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছিলেন।সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে নির্ভীক অবস্থানের কারণে তিনি সহকর্মীদের কাছে ছিলেন একজন শ্রদ্ধেয় ও অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি ছিলেন, সফল মৎস্য ব্যবসায়ী এবং কৃষি আন্দোলনের একজন অগ্রপথিক ও বিজ্ঞানমনস্ক সমাজকর্মী।বিভিন্ন সামাজিক,সাংস্কৃতিক ও মানবসেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তিনি সমাজের উন্নয়ন ও মানবকল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।সমাজের পিছিয়ে পড়া,অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের দুঃখ-দুর্দশায় পাশে দাঁড়ানো ছিল তার জীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী,দুই ছেলে, আত্মীয়-স্বজন,অসংখ্য শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুতে সলঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। পৃথক শোকবার্তায় তারা মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।
আজ বুধবার বাদ আসর আগরপুর ঈদগাহ মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং আগরপুর দরগাহ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। তার মৃত্যুতে সলঙ্গার সাংবাদিক সমাজ একজন অভিজ্ঞ, সৎ ও নিবেদিতপ্রাণ সহকর্মীকে হারালো যার শূন্যতা দীর্ঘদিন অনুভূত হবে।
