সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়াসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অসংখ্য স্কুল,কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা ২০২৫ সালের ২য় কিস্তি(জুলাই-ডিসেম্বর)এবং ২০২৬ সালের ১ম কিস্তি(জানুয়ারী-জুন)উপবৃত্তির অর্থ না পাওয়ায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
গত ২৪ শে জুন উপবৃত্তির অর্থ বিতরণ শুরু হয়। অনেকের একাউন্টে টাকা জমা হলেও আবার কেউ কেউ টাকা না পেয়ে হতাশায় ভুগছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,একই শ্রেণিতে অধ্যয়নরত কিছু শিক্ষার্থী তাদের উপবৃত্তির অর্থ পেলেও অনেকেই কোনো অর্থ পাননি। ফলে প্রকৃত কারণ নিয়ে দেখা দিয়েছে বিভ্রান্তি। অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন।
উল্লাপাড়া উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান, উপবৃত্তির অর্থ শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যয় নির্বাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে অর্থ না পাওয়ায় অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়েছে। একই প্রতিষ্ঠানের একদল শিক্ষার্থী অর্থ পেলেও অন্যরা বঞ্চিত হওয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে কয়েকজন প্রতিষ্ঠান প্রধানের সঙ্গে কথা হলে তাঁরা জানান, উপবৃত্তির তালিকা ও তথ্য হালনাগাদ থাকা সত্বেও কি জন্য টাকা পাচ্ছে না তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই নিশ্চিত করতে পারবে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাবি, দ্রুত বঞ্চিত শিক্ষার্থীদের তালিকা যাচাই করে উপবৃত্তির অর্থ প্রদান এবং কেন এই বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হোক। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যেন কোনো যোগ্য শিক্ষার্থী উপবৃত্তি থেকে বঞ্চিত না হয়, সে জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রশাসন ও উপবৃত্তি কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করলে তাঁরা বলেন, যোগ্য কোন শিক্ষার্থীই উপবৃত্তির অর্থ থেকে বঞ্চিত হবে না। তাঁরা সকলকে ধৈর্য্য ধরতে বলেন।
